নেত্রকোণা প্রতিনিধি:
নেত্রকোণা – ৪ (মদন মোহনগঞ্জ খালিয়াজুড়ি) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেছেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে এক সাগর রক্ত ও দুই লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। আমরা পেয়েছি লাল সবুজের পতাকা ও একটি স্বাধীন মানচিত্র।
২৪ সালে ছাত্র জনতা ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছি। একটি দল আছে যারা স্বাধীনতা সংগ্রামের বিরোধীতা করছিল।
যারা ৭১ ও ২৪ কে একসাথে তুলনা করতে চায়, তারা এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বিশ্বাস করে না। আমরা ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধকে যেমন শ্রদ্ধা ভরে স্বরণ করি, ঠিক তেমনি ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানকেও শ্রদ্ধা ভরে স্বরণ করি।
এ দেশে এমন একটি দল আছে যাদের কথা ও কাজে কোন মিল নেই। তারা বলে এক, করে আরেক। ৭১ নিয়ে কথা বললে তারা চুপ থাকে, কোন কথা বলে না। তারা এখন নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তৈরীর চেষ্টা করছে।
তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামের পরিবর্তে কর্ণেল অলি আহমদকে স্বাধীনতার ঘোষক বানাতে চায়। তাদের মুনাফেকি সম্পর্কে সকল নেতাকর্মীদের সতর্ক ও সজাগ থাকার আহবান জানান।
তিনি আজ শনিবার সন্ধায় মদন উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর টি আমিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, মদন মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরীকে মাদক ও জুয়া মুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলা হবে। আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারী নির্বাচনের দিন দলীয় নেতাকর্মীদের ফজরের নামাজ পড়ে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে সারিবদ্ধ ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিয়ে ও ফলাফল সংগ্রহ করে ঘরে ফেরার উদাত্ত আহ্বান জানান।
মদন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এন আলমের সভাপতিত্বে ও পৌর বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান চন্দনের সঞ্চালনায় নির্বাচনি জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নেত্রকোণা জেলা বিএনপির হেভিওয়েট নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন খান রনি, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমান খান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সহকারী মহাসচিব গাজী আব্দুর রহিম, সাবেক উপজেলা ভাইস- চেয়ারম্যান মুফতি আনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আকন্দ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফ আলম সেকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলে এলাহি টুটন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির প্রমুখ।
