নিউজ ডেস্ক :
নেত্রকোনার পূর্বধলায় কালিহর নদীতে ইট বেঁধে ফেলে দেওয়া নবজাতক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ২৯ জুন পূর্বধলা উপজেলার হোগলা ইউনিয়নের কালিহর নদীতে ইট ও প্লাস্টিকের রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ভাসতে থাকা এক নবজাতক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় মামলা হওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পূর্বধলা থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, তদন্তে উঠে আসে-প্রতিবেশী ১২ বছর বয়সী এক শিশু দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের শিকার হয়ে গর্ভবতী হয়। গত ২৮ জুন দিবাগত রাতে শিশুটি একটি মৃত কন্যাশিশুর জন্ম দেয়। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে নবজাতকের মরদেহ একটি শার্টে পেঁচিয়ে রশি দিয়ে ইট বেঁধে কালিহর নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পুলিশের।
এ ঘটনায় পূর্বধলা উপজেলার কোনাকালিহর গ্রামের কৃষক সাজন মিয়া (২৫)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ধর্ষণের অভিযোগে পৃথক মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
পূর্বধলা থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান আসামী সাজন মিয়ার বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণের অপরাধে পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আগামীকাল আদালতে প্রেরণ করা হবে, পরবর্তী আইনি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
