জায়েদ হাসান:
প্রত্যেকটা তেলের পাম্পে জ্বালানি তেলের সংগ্রহের জন্য লম্বা সারি।জ্বালানী তেলের সংকট সমাধানের জন্য সরকার ফুয়েল কার্ডের ব্যবস্থা করেছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন, জাতীয় ভোটার আইডি সহ নানান তথ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর জমা দিয়ে ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে হয়।
ফুয়েল কার্ডে সংগ্রহকারীগণ জ্বালানী সংগ্রহের জন্য পাম্পে গেলে এটা যেন তাদের কাছে একটা মূল্যহীন কাগজ মাত্র।ফুয়েল কার্ডভুক্ত উপস্থিত অর্ধশত ভোক্তা এমন অভিযোগ করেন নেত্রকোনার বিরামপুর পেট্রোল পাম্পে।
আজ ২৫এপ্রিল নেত্রকোনা জেলার অতিথপুর বাজার(বিরামপুর) সংলগ্ন শুভ্র শান্তি ফিলিং স্টেশন নামক পেট্রোল পাম্পে ফুয়েল কার্ড ধারী অর্ধশত ব্যক্তি নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে পাম্পে গেলেও তারা জ্বালানি পায়নি বলে অভিযোগ করেন।
উপস্থিত জ্বালানি সংগ্রহকারীদের ভাষ্যমতে এই পাম্পে ফুয়েল কার্ডের কোন তোয়াক্কা করে না।রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা আসতেছে লাইন ছাড়াই ইচ্ছামত পেট্রোল নিয়ে যাচ্ছে কেউ কেউ আবার ড্রামে করেও জ্বালানি নিচ্ছে।অথচ ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থেকে ফুয়েল কার্ড থাকার পরেও পেট্রোল পায়নি।দু এক জনের ফুয়েল কার্ডে দায়িত্বশীল প্রশাসন স্বাক্ষর করছে কিন্তু মিটার রিডিং লিখছে না তাদের ইচ্ছামত ৭/৮ লিটারাও পেট্রোল দিচ্ছে। রফিক নামক এক ব্যক্তি বলেন এই পেট্রোল পাম্পে তেল নিয়ে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্ব রয়েছে, আমি ফুয়েল কার্ড নিয়ে বিকাল ৩.০০টায় এসেছি কিন্তু এখন বিকাল ৫.০০টা বাজে এখনও জ্বালানি পায়নি ওরা পাম্পে তেল নাই বলতেছে। ফলে ভোক্তাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
দায়িত্বে থাকা প্রশাসনের লোকদের বিষয়টি জানতে চাইলে উনারা কেউ কথা বলতে নারাজ।
