নেত্রকোনা সংবাদদাতা:
নেত্রকোনায় ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সংগঠক ও নেত্রকোনা পৌরসভা নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী সোহাগ মিয়া প্রীতমসহ দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে এ বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে সোহাগ মিয়া প্রীতমসহ দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও তাদের আহত করার অভিযোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সমাবেশ থেকে হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আব্দুল গাফ্ফার, জেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শাহ এনায়েম কবির, যুগ্ম সদস্য সচিব রোকেয়া আক্তার, কেন্দ্রীয় ওলামা অ্যালায়েন্সের সহ-সম্পাদক মাওলানা শাহ আলমসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা।
এদিকে হামলার ঘটনায় সোহাগ মিয়া প্রীতম বাদী হয়ে নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সহ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন খান চঞ্চলকে প্রধান আসামী করে ৭ জন নেতৃবৃন্দসহ অজ্ঞাতনামা আরও অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন নেত্রকোনা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল খায়ের।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত চঞ্চল খান বলেন, মাদক ও নারীসংক্রান্ত একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে কে বা কারা প্রীতম সোহাগের ওপর হামলা করেছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তিনি বলেন, প্রীতম সোহাগ নিয়মিত ওই এলাকায় যাতায়াত করতেন এবং তাকে ঘিরে এলাকায় বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে সোহাগ মিয়া প্রীতমের দাবি, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থিতা নিয়ে বিরোধের জেরেই তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তার অভিযোগ, পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী চঞ্চল খানের আপন চাচাতো ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুন রনি প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে এ হামলা চালানো হয়েছে।
এ ঘটনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক ও নেত্রকোনা জেলা সদস্য সচিব ফাহিম রহমান খান পাঠান তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেত্রকোনা জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি ও মিডিয়া সম্পাদক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামও হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন।
